Thursday, 25 November 2021

ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের দ্বারা যাঁহাকে কেহ আঘ্রাণ করিতে পারে না, পক্ষান্তরে যাঁহার নিমিত্ত ঘ্রাণেন্দ্রিয় স্ববিষয়াভিমুখে প্রেরিত হয়, তিনিই ব্রহ্মঃ-

                                    

ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের দ্বারা যাঁহাকে কেহ আঘ্রাণ করিতে পারে না, পক্ষান্তরে যাঁহার নিমিত্ত ঘ্রাণেন্দ্রিয় স্ববিষয়াভিমুখে প্রেরিত হয়, তুমি তাঁহাকে শুদ্ধ ব্রহ্ম বলিয়া জানিবে। সামবেদীয় কেন উপনিষদে বর্ণিত আছে-

যৎ প্রাণেন ন প্রাণিতি যেন প্রাণঃ প্রণীয়তে। তদেব ব্রহ্ম ত্বং বিদ্ধি....-( কেন উপনিষৎ-১/৮)

শাঙ্কর ভাষ্যানুবাদঃ- ভগবান শঙ্করাচার্য ভাষ্যে বলিতেছেন- মনোবৃত্তি ও প্রাণবৃত্তির সহিত নাসারন্ধ্রে অবস্থিত পার্থিব প্রাণ অর্থাৎ ঘ্রাণেন্দ্রিয় দ্বারা যাঁহাকে (যে ব্রহ্মকে) লোকে গন্ধের মতো বিষয় করিতে পারে না, পক্ষান্তরে যে আত্মচৈতন্যজ্যোতিঃ দ্বারা অবভাসিতরূপে প্রাণ অর্থাৎ ঘ্রাণেন্দ্রিয় স্ববিষয়াভিমুখে প্রেরিত হইয়া থাকে তাঁহাই ব্রহ্ম।

 

No comments:

পরমাত্মার অবস্থা চতুষ্টয় (পরব্রহ্ম, ঈশ্বর, বিরাট, হিরণ্যগর্ভ)—

  ' পঞ্চদশী ' র চিত্রদীপ প্রকরণে আচার্য বিদ্যারণ্য স্বামী এর একটি সুস্পষ্ট ধারণা দিচ্ছেন — যথা চিত্রপটে দৃষ্টমবস্থানাং...