Thursday, 19 September 2019
'শ্রীশিবমানসপূজা'
Friday, 13 September 2019
শ্রীভগবানের 'কেশব' নাম মাহাত্ম্যঃ-
Thursday, 12 September 2019
পরব্রহ্মের স্বরূপঃ-
শ্রীমন্মহর্ষি বাদরায়ণ ভগবৎ প্রণীতম্ উত্তর মীমাংসা বেদান্তদর্শনের উভয়লিঙ্গাধিকরণের সিদ্ধান্ত হইল নির্বিশেষ ব্রহ্মই বেদান্ত প্রতিপাদ্য, সবিশেষতা উপাসনার সৌকর্যের জন্য। ব্রহ্মসূত্রের তৃতীয় অধ্যায়ের দ্বিতীয় পাদে বর্ণিত আছে-
ন
স্থানতোপি পরস্যোভয়লিঙ্গং সর্বত্র হি৷৷ ব্রহ্মসূত্র- ৩.২.১১৷৷
ভগবৎপাদ্ শ্রীমৎ শঙ্করাচার্য্যের 'শাঙ্করভাষ্য' অনুসারে ভাবার্থঃ-ব্রহ্মবিষয়ক উভয়লিঙ্গক অর্থাৎ সবিশেষ ও নির্বিশেষ উভয়প্রকার ব্রহ্মজ্ঞাপক শ্রুতিসকল আছে। যথাঃ-
'সর্বকর্মা
সর্বকামঃ সর্বগন্ধঃ সর্বরসঃ'-(ছান্দোগ্য উপনিষদ্-৩।১৪।২)
'সমস্ত
জগৎ যাহার কর্ম্ম, যিনি সর্ব্ববিধ বিশুদ্ধ কামনাবান্, সকলপ্রকার সুখকর গন্ধযুক্ত, সকল
প্রকার উত্তম রসযুক্ত'- ইত্যাদি এই সকল শ্রুতি সবিশেষ লিঙ্গ অর্থাৎ সবিশেষ ব্রহ্মের
জ্ঞাপক।
পুনশ্চ
বৃহদারণ্যক উপনিষদ্ এর শ্রতি বলিতেছে-
'অস্থূলমনণ্বহ্রস্বমদীর্ঘম্'-(বৃহদারণ্যক
উপনিষদ্ ৩।৮।৮)
'ইনি
স্থুল নহেন, অণু নহেন, হ্রস্ব নহেন, দীর্ঘ নহেন', এইসকল নির্বিশেষ ব্রহ্মের জ্ঞাপক।
এই শ্রুতিসকলে কি ব্রহ্মকে সবিশেষ ও নির্বিশেষ উভয়লিঙ্গরূপে বুঝিতে হইবে, অথবা উভয়ের
মধ্য যে কোন একরূপে বুঝিতে হইবে?
তাহা
হইলে তিনি কি সবিশেষ, অথবা নির্বিশেষ,-ইহা মীমাংসা করা হইতেছে। তাহাতে পূর্ব্বপক্ষীয়রা
বলেন দুইপ্রকার শ্রুতি থাকায় ব্রহ্ম সবিশেষ ও নির্বিশেষ উভয়াত্মক।
এই
প্রকার পূর্ব্বপক্ষ প্রাপ্ত হইলে বলিতেছি-'পরের' অর্থাৎ সর্ব্বশ্রেষ্ঠ ব্রহ্মের স্বভাবতঃ
উভয়লিঙ্গতা অর্থাৎ সবিশেষ ও নির্বিশেষ উভয়াত্মক হওয়া যুক্তিযুক্ত নহে। যেহেতু একই বস্তুর
স্বভাবতঃই রূপাদি বিশেষযুক্ত এবং তাহার বিপরীত, ইহা অবধারণ করিতে পারা যায় না, কারণ
বিরোধ হইয়া পড়ে।
শঙ্কা
হইল-আচ্ছা, তাহা হইলে 'স্থানবশতঃ' অর্থাৎ পৃথিবী প্রভৃতি উপাধির সহিত সম্বন্ধবশতঃ
(বৃহদারণ্যক উপনিষদ্-২।৫।১)'ব্রহ্মের সবিশেষতা সিদ্ধ হইবে'। সমাধান হইল-তাহাও সঙ্গত
নহে। যেহেতু উপাধির সহিত সম্বন্ধ হইলেও একপ্রকার স্বভাব সম্পন্ন বস্তুর অন্যপ্রকার
স্বভাব সম্ভব নহে। দেখ, স্ফটিক স্বচ্ছ হওয়ায় আলতা প্রভৃতি উপাধি সহিত সম্বন্ধবশতঃ কদাপি
অস্বচ্ছ হয় না, যেহেতু তাহাতে অস্বচ্ছতা বিষয়ক অভিনিবেশ জ্ঞান ভ্রমমাত্র।
আর
যেহেতু উপরিউক্ত ছান্দোগ্য শ্রুতির ব্রহ্মের সবিশেষতা সম্পাদক গন্ধ ও রূপরসাদি উপাধিসকল
অবিদ্যা কর্তৃক প্রত্যুপস্থাপিত। আর সেইহেতু অন্যতর লিঙ্গের পরিগ্রহ হইলেও সমস্তবিশেষরহিত
নির্বিকল্পরূপেই ব্রহ্মকে অবগত হইতে হইবে, তাহার বিপরীতরূপে নহে। যেহেতু সকল স্থলেই
অর্থাৎ উপনিষদ্ সকলে ব্রহ্মস্বরূপ প্রতিপাদনপর 'অশব্দমস্পর্শমরূপমব্যয়ম্'-(কঠ উপনিষদ্-১।৩।১৫)
অর্থাৎ 'শব্দরহিত, স্পর্শরহিত, রূপবিহীন, ক্ষয়রহিত' ইত্যাদি
এই বাক্যসকলে যাঁহা হইতে সমস্ত বিশেষ নিরাকৃত হইয়াছে, সেই ব্রহ্মই উপদিষ্ট হইতেছেন।
Friday, 6 September 2019
শঙ্করাচার্য্যের কিছু অমৃত বাণী, পর্ব-০৬ঃ-
-শঙ্করাচার্য্য (বিবেকচূড়ামণি-৪৩৪)
-শঙ্করাচার্য্য (বিবেকচূড়ামণি-৪৩৬)
-শঙ্করাচার্য্য (শ্রীবিষ্ণুষট্পদী-১)
জাগ - মন ও জাগুক , হয়ে ইচ্ছাবিহীনা ,
সন্তুষ্ট হ' মনে - নিজ শ্রম-উপার্জনে ,,
কায়মনোবাক্যে হোক সাধা .....
গোবিন্দের নাম গা ।।
ভজ গোবিন্দম্ ভজ গোবিন্দম্
গোবিন্দম্ ভজ মূঢমতে ।'
-শঙ্করাচার্য্য ('ভজগোবিন্দম্'-২)
Thursday, 5 September 2019
'শ্রীবিষ্ণুষট্পদী'
Wednesday, 4 September 2019
শ্রুতিতে সত্যের জয়গানঃ-
'হরগৌর্যষ্টকম্'
Thursday, 29 August 2019
ভগবৎপাদ্ শ্রীমৎ শঙ্করাচার্য্যের কিছু অমৃত বাণী, পর্ব-০৫ঃ-
-শঙ্করাচার্য্য (বিবেকচূড়ামণি-৫৫৬)
-শঙ্করাচার্য্য (অপরোক্ষানুভূতি-৭৫)
-শঙ্করাচার্য্য (অপরোক্ষানুভূতি-১১৬)
-শঙ্করাচার্য্য (পরাপূজা-১১)
Saturday, 24 August 2019
ভগবৎপাদ্ শ্রীমৎ শঙ্করাচার্য্যের কিছু অমৃত বাণী, পর্ব-০৪ঃ-
-শঙ্করাচার্য্য (বিবেকচূড়ামণি-৩১৯)
-শঙ্করাচার্য্য (বিবেকচূড়ামণি-৩২১)
-শঙ্করাচার্য্য (বিবেকচূড়ামণি-৩৯৬)
Thursday, 22 August 2019
শ্রীভগবানের এক নাম 'হৃষীকেশ' নামের মাহাত্ম্যঃ-
Sunday, 18 August 2019
ভগবৎপাদ্ শ্রীমৎ শঙ্করাচার্য্যের কিছু অমৃত বাণী, পর্ব-০২ঃ-
Friday, 16 August 2019
ভগবৎপাদ্ শ্রীমৎ শঙ্করাচার্য্যের অমৃত বাণী-
Saturday, 10 August 2019
গায়ত্রী মন্ত্র (শাঙ্করভাষ্য, যোগী যাজ্ঞবল্ক্য ও গায়ত্রীতন্ত্রের ব্যাখ্যা)-
নঃ = অস্মাকং
ধিয়ঃ = কর্মাণি ধর্মাদিবিষয়া বা বুদ্ধীঃ,
প্রচোদয়াৎঃ = প্রেরয়েৎ,
তৎঃ = তস্য সর্বাসু শ্রুতিষু প্রসিদ্ধস্য,
দেবস্যঃ = দ্যীতমানস্য,
সবিতুঃ = সর্বান্তর্যামিতয়া প্রেরকস্য জগত্সৃষ্টুঃ পরমেশ্বরস্য আত্মভূতং,
বরেণ্যং = সর্বরূপাস্যতয়াজ্ঞেয়তয়া চ সংভজনীয়ং,
ভর্গ = অবিদ্যা তত্কার্যয়োর্ভর্জনাদ্ভর্গঃ,
স্বয়ংজ্যোতিঃ = পরমব্রহ্মাত্মক তেজঃ,
ধীমহি = তদ্যোহং সোহসো যোহসো সোহহমিতি বয়ং ধ্যায়েম।
Friday, 9 August 2019
গায়ত্রী সংজ্ঞক ব্ৰহ্মের মহিমাঃ-
সৈষা
চতুষ্পদা ষড়্ বিধা গায়ত্রী তদেতদৃচাহভ্যনূক্তম্ ৷৷ ৫
তাবানস্য মহিমা ততো জ্যায়াংশচ পূরুষঃ । পাদোহস্য সর্বা ভূতানি ত্ৰিপাদস্যামৃতং দিবীতি ॥ ৬
শাঙ্করভাষ্য অনুবাদঃ- ভগবৎপাদ্ শঙ্করাচার্য্যের ভাষ্য হইল- সেই প্ৰসিদ্ধা এই গায়ত্রীর চারিটি পাদ, এবং বাক্, ভূত, পৃথিবী, শরীর, হৃদয় ও প্রাণ, এই ছয়টি তাহার বিধা(অক্ষরস্থানীয়) অংশ অর্থাৎ ষড়প্রকারা । উক্তার্থেরই সমর্থকরূপে এখানে গায়ত্রী অনুগত যে গায়ত্রী-নামক ব্ৰহ্ম, গায়ত্ৰী বলিয়া অভিহিত হইল, ঋক্ মন্ত্রেও তাহা প্ৰকাশিত হইয়াছে ॥
ব্রহ্মের চতুষ্পদ ও ষড়বিধ বিকারাত্মক যে পরিমাণ একপাদ গায়ত্রী বলিয়া বর্ণিত হইল, সেই পরিমাণই অৰ্থাৎ তৎসমস্তই উক্ত গায়ত্রী সংজ্ঞক সমস্ত ব্ৰহ্মের মহিমা, অর্থাৎ বিভূতির বিস্তার ; অতএব, তদাপেক্ষা অর্থাৎ গায়ত্রী-সংজ্ঞক বাচারম্ভণমাত্ররূপী অসত্য বিকারাত্মক ব্ৰহ্ম অপেক্ষাও পরমার্থ সত্য, বিকারহীন পূরুষ (পরব্রহ্ম) অতিশয় মহৎ ; কারণ, তিনিই সর্ব জগৎকে পরিপূরণ করেন, অথবা হৃদয়রূপ পুরে অবস্থান করেন, [ এইজন্য পুরুষ-পদবাচ্য হন]। সমস্ত ভূত অর্থাৎ তেজ, জল ও পৃথিবী প্রভৃতি স্থাবর-জঙ্গম-সমূহ সেই এই পুরুষেরই একপাদ (একাংশমাত্র); এই গায়ত্র্যাত্মক সমস্ত ব্ৰহ্মের ত্রিপাদযুক্ত অমৃতস্বরূপ পূরুষ প্রকাশময় নিজ আত্মস্বরূপে অবস্থিত আছেন। [ইতি শব্দ মহিমা কথন সমাপ্তি জ্ঞাপনার্থ ] ॥
শরীরের ন্যায় হৃদয়ও গায়ত্রী-স্বরূপঃ-
Tuesday, 6 August 2019
এই পুরুষাশ্রিত পার্থিব শরীরও পৃথিবীর ন্যায় গায়ত্রীস্বরূপাঃ-
Saturday, 3 August 2019
গায়ত্রী পৃথিবীরূপাঃ-
Friday, 2 August 2019
গায়ত্র্যপাধিক ব্রহ্মের উপাসনাঃ-
সামবেদীয়া
ছান্দোগ্যোপনিষৎ এর তৃতীয় অধ্যায়ের দ্বাদশ খন্ডে “গায়ত্রী’ রূপেও ব্ৰহ্ম অভিহিত হইয়া
থাকেন ; কেন না, সর্বপ্ৰকার বিশেষ ধৰ্ম্মরহিত এবং ‘নেতি নেতি’ ( ইহা নহে-ইহা নহে )
ইত্যাকারে সৰ্ব্বপ্ৰকার বিশেষ ধৰ্ম্মের প্রতিষেধগম্য ব্ৰহ্মকে সহজে বুঝিতে পারা যায়
না। আরও বহুতরাচ্ছন্দো বিদ্যমান থাকিলেও প্রাধান্য নিবন্ধনস্থ একমাত্র গায়ত্রীকে ব্ৰহ্মজ্ঞানের
দ্বারভূত বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে।
উষ্ণিক্,
অনুষ্টুপ্, বৃহতী, ত্রিষ্টুপ্, জগতী, গায়ত্রী প্রভৃতি বৈদিক ছন্দ রহিয়াছে। তন্মধ্যে
গায়ত্রীর প্রাধান্যের হেতু এই যে-গায়ত্রী দ্বারাই যজ্ঞিয় সোমের আনয়ন করিতে হয়, অপরাপর
ছন্দোমধ্যেও গায়ত্রীর অক্ষর সন্নিবিষ্ট থাকায় গায়ত্রীই অপর সমস্ত ছন্দের ব্যাপক
; বিশেষতঃ গায়ত্রীই সমস্ত সবনের ব্যাপক, অর্থাৎ প্ৰাতঃ স্নানাদি কাৰ্য্যেও গায়ত্রীর
নিয়ত সম্বন্ধ রহিয়াছে ; এই সমস্ত কারণে যজ্ঞেতে গায়ত্রীচ্ছন্দের প্রাধান্য। বিশেষতঃ
গায়ত্রীই ব্রাহ্মণের সারভূত। অতএব, যথোক্ত ব্রহ্মও মাতার নায় গুরুতরা গায়ত্রীকে পরিত্যাগ
করিয়া-তদপেক্ষা উৎকৃষ্ট অন্য কোনও আলম্বন লাভ করিতে পারেন না ; কারণ, লোকেও গায়ত্রীর
অতিশয় গুরুত্ব সুপ্ৰসিদ্ধ রহিয়াছে। এই সকল কারণেই এখানে গায়ত্রী স্বরূপে ব্ৰহ্মের
নির্দেশ করা হইতেছে-
গায়ত্রী
বা ইদং সর্বং ভূতং যদিদং কিঞ্চ বাগ্বৈ গায়ত্রী বাগ্বা ইদং সর্বং ভূতং গায়তিচ ত্রায়তে
চ ৷৷ ৩.১২.১ ৷৷
শাঙ্কর
ভাষ্যানুবাদঃ- ভগবৎপাদ্ শঙ্করাচার্য্যের ভাষ্য হইল-
“গায়ত্রী
বৈ” এইস্থানে ‘বৈ’ শব্দটি অবধারণার্থক ; এই যে সমস্ত ভূত, অর্থাৎ প্রাণিসমূহ, অথবা
স্থাবর-জঙ্গমাত্মক যাহা কিছু, তৎসমস্ত গায়ত্রী স্বরূপই বটে। কেবল ছন্দঃস্বরূপা গায়ত্রীর
সর্বভূতাত্মভাব উপপন্ন হইতে পারে না ; এইজন্য “বাক্ বৈ” গায়ত্রী এই বলিয়া গায়ত্রীশব্দে
গায়ত্রীর কারণীভূত শব্দরূপত্ব প্ৰতিপাদন করিতেছেন। বাক্ই এই সমস্ত ভূত, অর্থাৎ যে
হেতু বাক্ই শব্দরূপে সমস্ত ভূতকে গান করে, অর্থাৎ ইহা গো, ইহা অশ্ব, ইত্যাকার শব্দে
অভিহিত করে, এবং ত্ৰাণও করে-রক্ষাও করে, অর্থাৎ “অমুক হইতে ভীত হইও না, কি কারণে তোমার
ভয় হইতেঁছে ?’ ইত্যাদি বাক্যে ভয় হইতে সৰ্বতোভাবে নিৰ্ভয় হইয়া লোক সমূহ রক্ষিত
হইয়া থাকে। বাক্য যে, এইরূপে গান করে এবং ত্ৰাণ করে, প্ৰকৃত পক্ষে গায়ত্রীই তাহা
গান করে এবং ত্ৰাণ করে ; কারণ, বাক্য ত আর গায়ত্রী হইতে অন্য বা পৃথক পদার্থ নহে,
কেন না, গান ও ত্ৰাণ হেতুই গায়ত্রীর গায়ত্রীত্ব অর্থাৎ গান ও ত্ৰাণ গায়ত্রীর স্বাভাবিক
ধৰ্ম্ম ॥১৷৷
জ্ঞানী ভোগ্যবিষয়ে মনের কঠিনতা আর ভগবদ্বিষয়ে মনের কোমলতা সম্পাদন করে—
আচার্য মধুসূদন সরস্বতী ভক্তিরসায়নে বলছেন — কাঠিন্যং বিষয়ে কুর্যাদ্ দ্রবত্বং ভগবৎপদে। উপায়ৈঃ শাস্ত্রনির্দিষ্টৈরনুক্ষণমতো ব...
-
"মোহমুদগর" ও ইহার ভাবার্থঃ- আচার্য্য শঙ্কর ভগবৎপাদের 'মোহমুদগর' রচনাটি একটি মোহনাশক জ্ঞানবৈরাগ্যমূলক রচনা। ...
-
" শ্রীজগন্নাথাষ্টকম্ " ভগবৎপাদ্ শঙ্করাচার্য্য বিরচিত শ্রীজগন্নাথাষ্টকম্ একটি কৃষ্ণভক্তিমূলক স্তোত্র। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু...
-
ভগবৎপাদ্ আদি শঙ্করাচার্য্য বিরচিত শ্রীগঙ্গাস্তোত্রম্ ও ইহার বঙ্গানুবাদঃ- ॥ শ্রীগঙ্গাস্তোত্রম্ ॥ দেবি সুরেশ্বরি ভগবতি গঙ্গে ত...
-
কলিযুগে ভারতবর্ষে বৈদিক ধর্মের পূনর্জাগরণের অগ্রপুরুষ জগৎগুরু ভগবৎপাদ্ আদি শঙ্করাচার্য্য। কলিযুগের প্রারম্ভে বেদান্তবেদ্য, সচ্চিৎ-সুখস্...
-
"বেদসারশিবস্তোত্রম্" ও ইহার ভাবার্থঃ- শঙ্কর ভগবৎপাদাচার্য্যের এই প্রখ্যাত স্তোত্রম্ ভক্তদের নিত্যপাঠ্য। আচার্য্য এই...
-
ভগবৎপাদ্ শঙ্করাচার্য্যের সর্বাধিক জনপ্রিয় স্তোত্রগুলির একটি হইল শিবপঞ্চাক্ষরস্তোত্র। ' নমঃ শিবায় ' এই পঞ্চাক্ষর মহ...
-
“ সাংখ্যযোগ ” সঞ্জয় উবাচ। তন্তথা কৃপয়াবিষ্টমশ্রুপূর্ণাকুলেক্ষণম্। বিষীদন্তমিদং বাক্যমুবাচ মধুসূদনঃ || ১ || সঞ্জয় বলিলেন -...
-
শাঙ্করভাষ্যম্ উপক্ৰমণিকা ‘ মঙ্গলাচরণম্ ’ ॐ নারায়ণঃ পরোঽব্যক্তাত্ অণ্ডমব্যক্তসম্ভবম্ । অণ্ডস্যান্তস্ত্বিমে লোকাঃ সপ্তদ্বীপা চ ...
-
পারমার্থিক দৃষ্টিতে জগৎ মিথ্যা হওয়ায় সেই কল্পিত জগতের কর্তৃত্ব ব্রহ্মে পরমার্থতঃ না থাকিলেও , ব্যবহারিক দৃষ্টিতে জগতের জন...
-
শঙ্কর ভগবৎপাদাচার্য্যের ভবান্যষ্টকম্ একটি সংসার মোহনাশক শাক্ত সাধনামূলক রচনা। আচার্য্য বলছেন-কেহ পিতা নয়, কেহ মাতা নয়, কেহ বন্ধু নয়, ...


















