মহাভারতের
বিষ্ণুসহস্রনাম ভাষ্যে ভগবৎপাদ্ শঙ্করাচার্য বলছেন—
মায়াঃ
শ্রিয়ঃ ধবঃ পতিঃ মাধবঃ।
মধুবিদ্যা (বৃহদারণ্যক উপনিষদ-২।৫ ব্রাহ্মণ) ববোধ্যত্বাদ্বা
মাধবঃ। "মৌনাদ্ধ্যানাচ্চ যোগাচ্চ বিদ্ধি ভারত মাধবম্"।
(মহাভারত, উদ্যোগপর্ব, ৭০।৪) ইতি ব্যাসবচনাদ্বা মাধবঃ।
-(বিষ্ণুসহস্রনাম শঙ্করভাষ্য ২১ শ্লোক)
—ইনি মায়া
অর্থাৎ শ্রীলক্ষ্মীর পতি (ধব) এই
হেতু ইনি মাধব। বৃহদারণ্যক
উপনিষদে বর্ণিত মধুবিদ্যা তথা আত্মবিদ্যা দ্বারা
তাকে জানা যায় বলে
তার নাম 'মাধব'।
ভগবান্ ব্যাস বলছেন— 'মা' শব্দের অর্থ
বুদ্ধিবৃত্তি; তিনি মৌন, ধ্যান
ও যোগ দ্বারা আমার
উপাধিভূত সেই বুদ্ধিবৃত্তি দূরীকৃত
করেছেন বলে তার নাম
'মাধব'।
মায়া
বিদ্যায়াঃ পতিঃ মাধবঃ। "মা
বিদ্যা চ হরেঃ প্রোক্তা
তস্যা ঈশো যতো ভবান্
তস্মান্ মাধবঃ
নামাসি ধবঃ স্বামীতি শব্দিতঃ।"
ইতি হরিবংশে ৩।৮৮।৪৯ ।
-(বিষ্ণুসহস্রনাম শঙ্করভাষ্য
৩১ শ্লোক)
ইনি
মায়ার (অবিদ্যার) পতি, এই নিমিত্ত
মাধব বলা যায়। হরিবংশে
বর্ণিত আছে— মা শব্দে
হরির মায়া, ধব শব্দে স্বামী।
যেহেতু তুমি মায়ার অধীশ্বর
সেইহেতু তোমাকে মাধব বলা হয়।'
"মধুকুলে জাতত্বাৎ
মাধবঃ"-(বিষ্ণুসহস্রনাম শঙ্করভাষ্য ৯১ শ্লোক) অর্থাৎ
'ইনি মধুকুলোৎপন্ন বলে 'মাধব' নামে
অভিহিত হন।'....
তথ্যসূত্রঃ-
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, শাঙ্করভাষ্য ও তার ব্যাখ্যা,
স্বামী বাসুদেবানন্দ অনূদিত, উদ্বোধন কার্যালয় কলকাতা।
শ্রীশুভ
চৌধুরী
জুন
৯, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। S

No comments:
Post a Comment